লর্ডসে হবে আসছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল

খেলা

আগামী বছর ৫ জুলাই আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ইংল্যান্ডের ঐতিহাসক লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

১২ দলের বর্ধিত এই টুর্নামেন্টে ২৪ দিনে ৩৩টি ম্যাচের আরো ছয়টি ভেন্যু নিশ্চিত করেছে আয়োজক ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। ভেন্যুগুলো হলো ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, হেডিংলি, এজবাস্টন, হ্যাম্পশায়ার বোল, দ্য ওভাল ও ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড। এর আগে ২০১৭ সালে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনাল লর্ডসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবারের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ড শিরোপা জিতেছিল। ঐ আসরে ছিল আটটি দল, অন্য ভেন্যুগুলো ছিল ডার্বি, লিস্টার, ব্রিস্টল ও টনটন। শেষের দুটি ভেন্যুতে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্বব্যপী নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় দর্শক সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে বিভিন্ন ভেন্যুতে দর্শক আসন পূরণের বিষয়টিও মাথায় রাখা হচ্ছে। নারী ক্রিকেটকে মূলধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার জন্য আইসিসিও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

গত অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ দলের টুর্নামেন্টে বিজয়ী হয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইংল্যান্ডে আগামী বছর খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই আটটি দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। দুই গ্রুপে প্রথম পর্ব শেষে হবে নক আউট পর্ব। র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল খেলবে দুই গ্রুপে, বাছাইপর্ব থেকে উঠে আসবে আরো চার দল। গত বছরের বিশ্বকাপ পারফরমেন্সের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সরাসরি খেলবে। অক্টোবর পর্যন্ত আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে এরপরের তালিকায় থাকা পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাও খেলবে আগামী বছর বিশ্বকাপে।

ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে ক্রিকেট বোর্ড প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গুল্ড বলেছেন আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এ যাবতকালের নারীদের সব টুর্নামেন্টকে ছাড়িয়ে যাবে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নারীদের এত বড় টুর্নামেন্ট এর আগে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়নি। নিঃসন্দেহে এর মাধ্যমে আরো দর্শকের সমাগম হবে। যা আগে কখনো হয়নি। নতুন নতুন দর্শক এর মাধ্যমে আকৃষ্ট হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *