
শেষবার যখন মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি করেছিলেন সেদিনও সুযোগ ছিল ডাবল সেঞ্চুরির। তবে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
সেদিনের আক্ষেপ ছিল ৯ রানের। ১৯১ রানে আউট হয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি মুশফিকের।আজ সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ ছিল। সঙ্গে গলের আশীর্বাদও। কেননা এই মাঠেই বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে এখানে খেলতে নেমেই ১৩ ইনিংস পর পেয়েছেন সেঞ্চুরিও।
সেঞ্চুরিটাকেই ডাবলে রূপ দেওয়ার পথে ছিলেন মুশফিক। কিন্তু আজও পারেননি তিনি। ১৬৩ রানে আসিতা ফার্নান্দোর বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ৩৮ বছর বয়সী ব্যাটার। ভাগ্যটা আরেকটু সহায় হলে হয়তো বেঁচেই যেতে পারতেন তিনি।কেননা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানানো রিভিউয়ে দেখা গেছে লেগ স্টাম্পে বলটা লাগে। আম্পায়ার আউট না দিলে বেঁচেই যেতেন তিনি।
মুশফিকের মতো আক্ষেপ নিয়ে মাঠ পরে মাঠ ছেড়েছেন লিটন দাসও। উইকেটরক্ষক- ব্যাটারের আক্ষেপ সেঞ্চুরি না পাওয়ার। ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারও সর্বশেষ সেঞ্চুরিটা পেয়েছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ড টেস্টেই।তবে মুশফিক প্রথমটিতে পেলেও লিটন করেছিলেন দ্বিতীয়টিতে। সেদিন ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন লিটন।
গল দারুণ ব্যাটিং করছিলেন লিটন। মুশফিক-নাজমুল হোসেন শান্তর মতো সেঞ্চুরি খরা কাটানোর অপেক্ষায় ছিলেন তিনিও। কিন্তু তিন অঙ্ক থেকে ১০ রান দূরে থাকার সময় অযথা, রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে নিজের সর্বনাশ ডেকে আনেন তিনি। বলা যায়, সেঞ্চুরির কাছে এসে অনেকটা বিরক্ত হয়ে এই শট খেলেন তিনি। কেননা অনেকক্ষণ ধরেই শ্রীলঙ্কার স্পিনাররা লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে বল করে আসছিলেন।
ডিপ লেগ স্কয়ারে ফিল্ডার নিয়ে একের পর এক ওভার করে আসছিলেন শ্রীলঙ্কার স্পিনাররা। তাদের চাওয়া ছিল বিরক্ত হয়ে যেন ভুল শট খেলেন ব্যাটাররা। থারিন্দু রত্নায়েকের বলে লিটন সেই ভুলটাই করে বসলেন। ৯০ রানের সময় অযথা রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে নিজের সেঞ্চুরির ‘মৃত্যু’ ডেকে আনলেন।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৪৬৯ রান। ৩ রান করা জাকের আলি অনিককে সঙ্গ দিচ্ছেন নাঈম হাসান। অফস্পিনার অপরাজিত আছেন ৯ রানে। এর আগে বৃষ্টির কারণে আড়াই ঘণ্টার মতো খেলা বন্ধ ছিল।
