
চলতি বছরের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ফুটবলার হিসেবে সবার উপরে জায়গা করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মার্কিন ব্যবসা-বাণিজ্যভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বস বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে গত এক দশকের মধ্যে ষষ্ঠবার ফোর্বসের সর্বোচ্চ আয়কারী খেলোয়াড়ের শীর্ষস্থান দখল করলেন সিআরসেভেন। কিছুদিন আগে মার্কিন আর্থিক তথ্য ও গণমাধ্যম সংস্থা ব্লুমবার্গের হিসাবে, ফুটবল ইতিহাসের প্রথম বিলিয়নিয়ার বনে গেছেন এ পর্তুগিজ মহাতারকা।
ফোর্বসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ মৌসুমে ফুটবলারদের সম্মিলিত আয় ৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশীদার রোনালদো। গত জুনে আল নাসরের সঙ্গে দু’বছরের চুক্তি নবায়ন করেন ৪০ বছর বয়সী রোনালদো। চলতি মৌসুমে সৌদি প্রো লীগের ক্লাবটি থেকে ২৩ কোটি ডলার আয় করবেন তিনি। একইসঙ্গে, মাঠের বাইরের নানা স্পনসরশিপ চুক্তি থেকে আরও ৫ কোটি ডলার পাবেন রোনালদো। সবমিলিয়ে চলতি মৌসুমে তার আয় দাঁড়াবে ২৮ কোটি ডলারে। এ হিসাবে কর ও এজেন্ট ফি বাদ দেয়া হয়েছে।
চূড়ায় থাকা রোনালদোর পরেই আছেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার আনুমানিক আয় ১৩ কোটি ডলার। ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের আয়ে তৃতীয় রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সতীর্থ, আল ইত্তিহাদের করিম বেঞ্জেমা। চারে থাকা ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের আয় ৯ কোটি ৫০ লাখ। ৮ কোটি ডলার উপার্জন করে শীর্ষ পাঁচে ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড আর্লিং ব্রুট হালান্দ।
ফোর্বসের এবারের তালিকার উল্লেখযোগ্য দিকটি হলো, লামিন ইয়ামাল ও জুড বেলিংহ্যামের মত তরুণদের উঠে আসা। শীর্ষ দশে জায়গা করেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ইয়ামাল। অ্যাডিডাস, কোনামি ও পাওয়ারেডের সঙ্গে চুক্তিতে তার আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারে। ইয়ামালের চেয়ে ১০ লাখ ডলার বেশি উপার্জনে তার উপরেই রিয়াল তারকা বেলিংহ্যাম।
১৯৯০ থেকে ফোর্বস যেসব খেলোয়াড়দের হিসাব রাখছে, তাদের মধ্যে এক বছরে আয়ের দিক থেকে রোনালদোর চেয়ে বেশি আয় করেছেন কেবল একজন ক্রীড়াবিদ, তিনি সাবেক বক্সার ফ্লয়েড মেওয়েদার। ২০১৫তে এক বছরে ৩০ কোটি ডলার ও তিন বছর পর ২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেন তিনি।
