৭৫% সিএফও মনে করেন এআই আয় বাড়াবে: সেলসফোর্সের গবেষণা

অর্থনীতি বাংলাদেশ

খবর ৫২ নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এশিয়া প্যাসিফিক (এপিএসি) অঞ্চলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তাদের (সিএফও) জন্য এটি একটি কৌশলগত হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। সেলসফোর্সের নতুন এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, এখন তারা শুধু খরচ কমানোর জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি আয় বাড়ানোর উপায় হিসেবেও এআই-তে বিনিয়োগ করছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, এপিএসি অঞ্চলে পাঁচ বছর আগে ৬৩ শতাংশ সিএফও এআই-এর বিষয়ে রক্ষণশীল ছিলেন, যা এখন মাত্র ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি প্রমাণ করে যে, এআই এখন আর নতুন প্রযুক্তি নয়, বরং এটি দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির একটি অপরিহার্য হাতিয়ার।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সিএফওদের বিনিয়োগে রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট (আরওআই) নিয়ে ধারণার পরিবর্তনই এই বড় পরিবর্তনের কারণ। এপিএসি অঞ্চলের ৫০ শতাংশ সিএফও বলেছেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারা এআই এজেন্ট আরওআই মূল্যায়নের পদ্ধতি পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এখন প্রযুক্তি বিনিয়োগের সফলতা শুধু প্রচলিত মানদণ্ড দিয়ে বিচার করা হচ্ছে না, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সমৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সেলসফোর্সের প্রেসিডেন্ট এবং চিফ অপারেটিং ও ফিনান্সিয়াল অফিসার রবিন ওয়াশিংটন বলেন, “এআই এজেন্ট কেবল স্বল্পমেয়াদে খরচ কমানোর জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য জরুরি। এটি সিএফওদের পুরো কাজের ক্ষেত্রকেই নতুনভাবে তৈরি করছে।” তিনি জানান, এখন সিএফওরা শুধু আর্থিক দায়িত্ব পালনকারী নন, ব্যবসার মূল্য সৃষ্টিকারী হিসেবেও ভূমিকা রাখতে চান।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, এপিএসি অঞ্চলের সিএফওরা তাদের এআই বাজেটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এআই এজেন্টে ব্যয় করছেন। তারা মনে করেন, এআই এজেন্ট বা ডিজিটাল শ্রম প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রায় ৭৫ শতাংশ সিএফও বিশ্বাস করেন যে, এআই এজেন্ট খরচ কমানোর পাশাপাশি আয়ও বাড়াতে সাহায্য করবে। তাদের প্রত্যাশা, এআই এজেন্ট ব্যবহার করে কোম্পানির আয় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *