
দিনের প্রথম সেশনটা কোনো সন্দেহ ছাড়াই ছিল বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের এক উইকেট তুলে নিয়ে সে সেশনে ১০৫ রান তুলে ফেলেছিল স্বাগতিকরা। তবে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনটা ভালো কাটল না বাংলাদেশের। এ সময় দলটা খুইয়েছে ৩ উইকেট। স্কোরবোর্ডে উঠেছে ১০০ রান। চা বিরতিতে ২০৫ রান নিয়ে গেছে দলটা।
প্রথম সেশনে নির্বিষ বোলিং করতে থাকা জিম্বাবুয়ে ধার বাড়িয়েছে দ্বিতীয় সেশনে। এনামুল হক বিজয়কে কট বিহাইন্ড করে শুরুটা করেন ব্লেসিং মুজারাবানি। ১১৮ রানের জুটি ভাঙে তাতে। হাফ সেঞ্চুরি থেকে ১১ রানের দূরত্বে থেকে ফিরে যান তিনি।
এরপর মুমিনুল হকের সঙ্গে মিলে সাদমান ইসলাম বাংলাদেশকে একটু একটু করে চালকের আসনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। একটু পরপর দুজনেই বড় বড় শট খেলছিলেন এদিক ওদিকে।
সাদমান তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির দেখাও পেয়ে যান দারুণ এক কাভার ড্রাইভে। ২৬ ইনিংস পর তিন অঙ্ক ছোঁন তিনি।
তবে দুজনকে খুব কাছাকাছি সময়ে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, ২ বলে দুজনকে হারিয়েছে দল। প্রথমে গেলেন মুমিনুল। তিনি ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে ক্যাচ দেন বেন কারানের হাতে।
পরের বলেই সাদমান বিদায় নেন। ব্রায়ান বেনেটের বলে তিনি এলবিডব্লিউর শিকার বনেন। তবে তার বিদায়ে তার তো আছেই, নাজমুল হোসেন শান্তর দায়ও আছে। রিপ্লেতে দেখাচ্ছিল বলটা তার লেগ স্টাম্প মিস করতো। দুজনের বিদায়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকুর রহিম মিলে পরিস্থিতিটা সামলাচ্ছেন এখন।
প্রথম ইনিংসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে ২২ রানে।
