শিশুকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

জাতীয়

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম এই রায় দেন।

আসামি আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। তিনি এসময় আদালতে ছিলেন।

মামলার নথির তথ্য, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় জীবননগরের গোয়ালপাড়া গ্রামের মরিয়ম (১০) তার বোন ও প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে মাঠে শাক তুলতে যায়। বেলা ১২টার দিকে অন্যরা বাড়ি ফিরে জানায়, এক ব্যক্তি রাস্তার ওপর ভ্যান রেখে তাদের কাছে আসেন। মরিয়মকে শাক দেওয়ার কথা বলে পাশের ভুট্টা ক্ষেতের দিকে নিয়ে যান।

অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলে ওই ব্যক্তিকে তারা ক্ষেত থেকে বের হতে দেখে। মরিয়মের কথা জানতে চাইলে তিনি শিশুদের জানান, সে একটু পরে আসবে। এসব বিবরণ শুনে মরিয়মের পরিবার ওই ক্ষেতে গিয়ে শিশুটির গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।

.

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা ইকবাল হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে গ্রেপ্তার করা হয় গয়েশপুর গ্রামের আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯)। তাকে একমাত্র আসামি করে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে জমা দেওয়া হয় অভিযোগপত্র।

আসামি আবুল পরে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টেও ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। ৩১ জনের সাক্ষ্য শেষে আজ মামলার রায় দিলেন বিচারক।

.

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল বললেন, ‘সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদনে সন্তুষ্ট মেয়েটির পরিবার। তাদের মেয়ের ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *