মার্কিন কংগ্রেসের ভাষণে ট্রাম্প স্লোগান তুললেন: ‘ড্রিল, বেবি, ড্রিল’

আন্তর্জাতিক শিরোনাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরই দেশকে জ্বালানিতে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছিলেন।  মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় সেই পুরনো কথাই নতুন করে শোনা গেল ট্রাম্পের মুখে। তিনি বললেন, ”বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় আমাদেরই পায়ের তলায় সবচেয়ে বেশি তরল সোনা  আছে তা বিশ্বের কোনও দেশের নেই। আমি সর্বকালের সবচেয়ে প্রতিভাবান দলটিকে তা অর্জন করার সম্পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি। মার্কিন শক্তি ব্যবহার করে আমরা মুদ্রাস্ফীতিকে হারিয়ে দেব, ব্যয় নাটকীয়ভাবে কমাব।  ড্রিল বেবি ড্রিল।” অর্থাৎ বেশি বেশি করে তেল বা গ্যাসের খনি খুঁড়তে হবে। 

তিনি তার পূর্বসূরি জো বাইডেনের  প্রশাসনকে খাদ্য ও জ্বালানীর দাম বৃদ্ধির জন্য দায়ী করে বলেন, “আমাদের মুদ্রাস্ফীতিকে পরাস্ত করার লড়াইয়ে  একটি প্রধান ফোকাস হচ্ছে জ্বালানি খরচ দ্রুত হ্রাস করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ‘বাইডেন  প্রশাসনের অধীনে ১০০ টিরও বেশি পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে  এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির অনেকগুলি খুলতে শুরু করেছে । সে কারণেই আমার অফিসে প্রথম দিনেই আমি জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছি। ‘ ট্রাম্পের  ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস প্ল্যান’-এর প্রধান অংশ হলো  আলাস্কায় বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন  এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উৎপাদন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা। মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থিত রিপাবলিকানরাও   ট্রাম্পের সাথে যোগ দিয়ে  “ড্রিল বেবি ড্রিল” বলে গলা ফাটাতে থাকেন। এই সিদ্ধান্তকে তার পূর্বসূরি জো বাইডেনের জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর প্রচেষ্টার বিপরীত পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।   ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তন হল ‘সর্বকালের অন্যতম সেরা কেলেঙ্কারি’। ক্ষমতায় ফিরেই তিনি ফের আমেরিকাকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছেন। এবার তিনি গলা চড়ালেন , ”ড্রিল বেবি ড্রিল।”

সূত্র : এনডিটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *