ঢাকা, ৭ অক্টোবর (২০২৫): বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা চালু করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত চলাকালীন তাদের এই আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে তদন্ত চললেও অনেকের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ কারণে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন হয়ে অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি।
এ সংক্রান্ত আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমের আওতায় এনে বেতন-ভাতা চালু করতে হবে। পাশাপাশি, কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ যদি এ ক্ষেত্রে অসহযোগিতা বা বাধার সৃষ্টি করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে বিধিমতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের পর দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা ঘটে। এর ফলে বহু শিক্ষকের নিয়মিত বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায়।
এছাড়া, অপর এক অফিস আদেশে জোরপূর্বক পদত্যাগের অভিযোগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত পাঠানোর জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
