তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৫ | রাজনৈতিক প্রতিবেদন
বিএনপি দলের নাম ব্যবহার করে সন্ত্রাসী বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধান ঘোষণাসমূহ
✔ জিরো টলারেন্স নীতি:
- দলের নামে সন্ত্রাস, সহিংসতা বা অনৈতিক কাজে জড়িতদের তাত্ক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে।
- ইতিমধ্যে ৪-৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
✔ তদন্ত প্রক্রিয়া:
- প্রতিটি অভিযোগ ভিডিও, অডিও ও প্রমাণসহ যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিদিন সারাদেশের ঘটনাগুলো মনিটর করছেন।
✔ সাম্প্রতিক বহিষ্কার:
- কুড়িগ্রামের চিলমারী: উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ হোসেন পাখি ও সদস্য আবদুল মতিনকে পদচ্যুত করা হয়েছে (মশাল মিছিলে সহিংসতার অভিযোগ)।
- কুমিল্লা: পাছথুবী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খোকন মিয়াকে বহিষ্কার (অস্ত্রবাজি ও সন্ত্রাসের প্রমাণ মিলেছে)।
- ভোলা: তজুমদ্দিনের চাঁচড়া ইউনিয়নের সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদারকে বহিষ্কার (মহিলা নেত্রীকে মারধরের অভিযোগ)।
- ঢাকার বনানী: যুবদলের আহ্বায়ক মুনির হোসেনকে বহিষ্কার (জাকারিয়া হোটেলে নারীদের ওপর হামলার অভিযোগ)।
রিজভীর বক্তব্য
“দুর্বৃত্তদের দখলে দেশ দেওয়া যাবে না। দলের নামে কেউ অনৈতিক কাজ করলে তা আমরা সহ্য করব না। ইতিমধ্যে বহিষ্কারগুলোই আমাদের সিদ্ধান্তের স্পষ্ট প্রমাণ।”
প্রাসঙ্গিক তথ্য
- বিএনপি ২০২৩ সালের পর থেকে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা জোরদারে কাজ করছে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের নামে সহিংসতার ভিডিও ভাইরাল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত
- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন
- যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল
