তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৫ | ধর্মীয় বার্তা
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় মানবজাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (৫ জুলাই) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি কারবালার ত্যাগের ইতিহাসকে আধুনিক সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
বাণীর মূল বক্তব্য
- ইমাম হোসেন (রা.)-এর আত্মত্যাগের শ্রদ্ধাঞ্জলি:
ড. ইউনূস রাসূল (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.) এবং কারবালার শহীদদের স্মরণ করেন, যারা ইয়াজিদের স্বৈরশক্তির বিরুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। - ইসলামের মৌলিক আদর্শ:
তিনি বলেন, “ইসলাম সত্য, ন্যায় ও শান্তির ধর্ম। কারবালার ঘটনা অন্যায়ের মুখে দাঁড়ানোর চিরন্তন দৃষ্টান্ত।” - আশুরার ফজিলত:
এই দিনে পৃথিবীর সৃষ্টিসহ অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তিনি রাসূল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী আশুরার রোজা রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। - সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার ডাক:
তিনি সাম্য, শান্তি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনা করেন এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে নৈতিক সংগ্রামে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রাসঙ্গিকতা
ড. ইউনূসের এই বাণী এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশে রাজনৈতিক পুনর্গঠন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আলোচনা চলছে। তার কথায় কারবালার চেতনাকে বর্তমান প্রজন্মের জন্য প্রাসঙ্গিক করে তোলার প্রয়াস দেখা যায়।
আশুরার তাৎপর্য
- ইতিহাস: ৬১ হিজরির ১০ মহররম ইমাম হোসেন (রা.) ও তার সঙ্গীরা কারবালায় শাহাদতবরণ করেন।
- শিক্ষা: অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ না করা এবং সত্যের পথে অটল থাকার দৃষ্টান্ত।
- আমল: এই দিনে রোজা রাখা, দান-সদকা করা ও ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ করা সুন্নত।
ড. ইউনূসের প্রত্যাশা:
“কারবালার ত্যাগ আমাদের শেখায়—অন্যায় ব্যবস্থার মুখেও ন্যায়ের পথে দাঁড়াতে হবে। এই দিনে আমরা যেন নিজেদের বিবেককে জাগ্রত করি।”
