
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলার মধ্যেই নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ জুলাই) গাজার বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে মধ্য গাজার আল-বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের পূর্ব পাশে একটি তাঁবু এলাকায় থাকা নয় বছর বয়সি শিশু তালা আবু মাতারও রয়েছে।
.
চিকিৎসাকর্মীরা জানিয়েছেন, ওই শিশুকে ইসরাইলি গুলিতে হত্যা করা হয়েছে। তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য পায়নি।
.
এ ছাড়া গাজার সাবরা এলাকায় একটি ধাতব কারখানায় বিমান হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই স্থাপনায় ইসরাইলি বাহিনী তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ‘সন্ত্রাসী’ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো বিস্তারিত তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
অন্যদিকে, উত্তর গাজায় সেনাদের ওপর হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে দুই হামাস যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি তাঁবু শিবিরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসাকর্মীরা। এতে একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এখনো অগ্রগতি পাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের নেতারা কায়রো সফর করেছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি হামলায় গাজায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে গাজায় চারজন ইসরাইলি সেনার মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
