
খবর ৫২ ডেস্ক
বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এর অনুসন্ধানে ব্যবসায়ী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরী ও তার পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৮ হাজার ৪০৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন ধরা পড়েছে। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই লেনদেনগুলো সন্দেহজনক এবং অর্থপাচার ও কর ফাঁকির ইঙ্গিতবাহী।
বিএফআইইউ’র গত আগস্ট মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শওকত আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ চার সদস্যের ২৮টি ব্যাংকে ১৮৭টি হিসাব পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে জমা হয়েছে ৮ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা এবং উত্তোলন করা হয়েছে ৮ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, স্ক্র্যাপ ভেসেল আমদানির নামে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে নিবন্ধিত সন্দেহজনক কোম্পানিগুলোর সাথে লেনদেন হয়েছে। ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবহার করে ব্যবসায়িক লেনদেন করা হয়েছে, যা কর ফাঁকির লক্ষ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএফআইইউ ইতিমধ্যেই শওকত আলী চৌধুরী ও তার পরিবারের সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শওকত আলীর কন্যা জারা নামরীনের অ্যাকাউন্টে ৩১ কোটি টাকা জমা পাওয়া গেছে যা তার আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। একইভাবে তার ছেলে জারান আলীর অ্যাকাউন্টেও অস্বাভাবিক লেনদেন ধরা পড়েছে।
বিএফআইইউ’র উপপ্রধান আমির উদ্দিন জানান, অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনও চলছে। শওকত আলী চৌধুরীর সাথে এই প্রতিবেদনের সময় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
