২ বছর পর সেঞ্চুরি তামিমের

খেলা

চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের প্রথম দুই ম্যাচে এক জয় ও এক ম্যাচ হারে মোহামেডান। অধিনায়ক তামিম ইকবাল দুই ম্যাচেই ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। তবে তৃতীয় ম্যাচ এসে জ্বলে উঠলেন তিনি, পেলেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা। তার সেঞ্চুরিতে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে সহজ জয় পায় মোহামেডান।
গতকাল ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে বিকেএসপিতে পারটেক্সকে ৭ উইকেটে হারায় তামিমরা। টস জিতে আগে আহরার আমিনের ফিফটিতে ব্যাটিং করতে নেমে ২১৮ রানেই গুটিয়ে যায় পারটেক্স। জবাবে অধিনায়ক তামিমের ১২৫ রানের ইনিংসে ৯.৪ ওভার বাকি রেখেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় মোহামেডান।
রান তাড়ায় ৩৫ রানেই দুই উইকেট হারায় মোহামেডান। রনি তালুকদারের পর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও ফেরেন আগেভাগে। এরপর তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে এগোতে থাকেন তামিম। ৬৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তামিম। ৪৩ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন হৃদয়। মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে বাকি পথ পাড়ি দেন তামিম। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১২৫ রানে। ১১২ বলের ইনিংসে তামিমের ব্যাট থেকে আসে ১১ চার ও ৫ ছক্কা। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটি তার ২৩তম সেঞ্চুরি। প্রিমিয়ার লীগে দুই বছর পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তামিম। গত বছর প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ১৬ ম্যাচ খেলে ৬ ফিফটি পেলেও সেঞ্চুরি ছিল না কোনো। লীগে তার সবশেষ সেঞ্চুরি ছিল প্রাইম ব্যাংকের হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে ২০২৩ সালে। ফতুল্লায় ১০৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়েছিলেন। তামিমের সঙ্গী মুশফিকের ব্যাট থেকে এদিন আসে ৪৪ বলে ৩৫ রান। 
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে বিপাকে পড়ে পারটেক্স। আহরান আমিন ও জাওয়াদ রোয়েন ছাড়া আর কেউ উইকেটে থিতু হতে পারেননি। রোয়ান ৪৫ বলে ৪২ রান করেন। আর আমিনের ব্যাট থেকে আসে ৭৮ রান। ৮৬ রানের ইনিংসে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। মোহামেডানের হয়ে ৯.৩ ওভার বোলিং করে ৫০ রান দিয়ে ৪ উইকেট পান তাইজুল ইসলাম। ৪২ রান খরচায় নাসুমের শিকার ৩ উইকেট।
রূপগঞ্জকে হারালো আবাহনী, বৃথা আল আমিনের সেঞ্চুরি
দিনের আরেক খেলায় রূপগঞ্জ টাইগার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনী। আঘে ব্যাটিং করে ২৬০ রানে গুটিয়ে যায় রূপগঞ্জ। দলটির অধিনায়ক আল আমিন খেলেন ৮৯ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ১০৪ রানের ইনিংস। আবাহনীর হয়ে রাকিবুল হাসান ৩ উইকেট নিয়েছেন, ২টি করে উইকেট নেন মোসাদ্দেক হোসেন ও নাহিদ রানা।
রান তাড়ায় নেমে আবাহনীর প্রথম ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি আবাহনীর ব্যাটাররা। জিসান আলম ৩৯, পারভেজ হোসেন ইমন ৪৭ ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৩৭ রান। এরপর মোহাম্মদ মিঠুনের ৬১ বলে ৬০ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৩৮ বলে ৪৭ রানের ইনিংসে দলকে জেতান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *