হোয়াইট হাউসের শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে এমআইটি

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) মার্কিন প্রশাসনের নতুন গবেষণা তহবিল নীতির বিরোধিতা করেছে। শুক্রবার এমআইটি’র প্রেসিডেন্ট স্যালি কর্নবøুথ মার্কিন শিক্ষাসচিব লিন্ডা ম্যাকমোহনকে লেখা চিঠিতে জানান, ‘আমরা এমন কোনও নীতি মানতে পারি না যা গবেষণার স্বাধীনতা ও বৈজ্ঞানিক মেধার মূল্যায়নকে রাজনীতির সঙ্গে বেঁধে দেয়।’
ট্রাম্প প্রশাসনের পাঠানো নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি ১৫ শতাংশের বেশি রাখবে, বা ভর্তি ও নিয়োগে জাতি বা লিঙ্গ বিবেচনা করবে, তাদের তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হবে। ব্রাউন, ভার্জিনিয়া, ডার্টমাউথ ও ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ও এই নীতির পর্যালোচনা শুরু করেছে। এমআইটিই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যারা হোয়াইট হাউসের স্মারকলিপি সমর্থন করতে অস্বীকৃতি জানায়। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্থিক চাপ ব্যবহার করে দেশের শীর্ষস্থানীয় কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কাকে এবং কী পড়ায় তার উপর অভ‚তপূর্ব নিয়ন্ত্রণের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করার প্রচেষ্টার পর এই স্মারকলিপি জারি করা হয়েছিল। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে যে, তারা প্রশাসনের দাবিগুলি অধ্যয়ন করছে এবং প্রতিক্রিয়াগুলি খসড়া করছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের আগস্টে আমেরিকায় বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের যোগদান কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। আফ্রিকা, এশিয়া ও আরব দুনিয়া থেকে আগত শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে। এর মধ্যে ভারতের ক্ষেত্রেও পতন প্রায় ৪৫ শতাংশ। কঠোর ভিসা নীতি, সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই, এবং ১৯টি দেশের উপর আরোপিত ট্রাভেল ব্যান, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিবেশ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সূত্র : রয়টার্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *