স্টারমারকে অভিবাসন সংক্রান্ত বক্তব্য পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ধর্মীয় নেতারা

আন্তর্জাতিক

বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারের অভিবাসন সংক্রান্ত বক্তব্য পুনর্বিবেচনার জন্য তার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ধর্মীয় নেতারা। তারা আশঙ্কা করছেন, স্টারমারের বক্তব্য দেশটির সম্প্রদায়গুলোকে বিভক্ত করতে পারে। এছাড়া জনসাধারণের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এসব ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে আছেন চার্চ অব ইংল্যান্ডের বিশপ, মুসলিম ও ইহুদি ধর্মযাজকরা। তারা স্টারমারে প্রতি আরও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানিয়েছেন। ওই ধর্মীয় নেতারা স্টারমারকে মনে করাতে চান, অভিবাসীরা দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। লেবার পার্টির নেতা কিয়ের স্টারমার এ সপ্তাহে উচ্চ মাত্রার অভিবাসন মোকাবেলায় কঠোর নতুন নীতি ঘোষণা করেছেন। এক ভাষণে তিনি বলেন, বৃটেন ‘অপরিচিতদের’ দ্বীপ হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে আছে।

এদিকে স্টারমারের বক্তব্যে  হতবাক হয়েছেন তার কিছু সংসদীয় সহকর্মী। শুক্রবার প্রকাশিত ‘ইউগভ’ এর এক জরিপে দেখা যায়, লেবার পার্টির ভোটারদের অর্ধেক এখন তার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। এর মধ্যে অনেকে সরকারকে অভিবাসনের বিষয়ে আরও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অনেক অভিবাসীই আমাদের দেশের কাঠামোর অংশ হয়ে উঠেছেন। তাদের অবদান ছাড়া আমাদের দেশ আরও দরিদ্র হতো।

ধর্মীয় নেতারা বলছেন, দেশটিতে অবস্থানরত অভিবাসীরা এর আগে যেসব সরকার ছিলো তাদের নির্ধারিত নীতি অনুযায়ী বৃটেনে প্রবেশ করেছেন। তারা কাজ করেছেন এবং কর প্রদান করেছেন। তারা আরও বলেন, এটিকে অন্যায্য হিসেবে উপস্থাপন করা কেবল বিভাজনের রাজনীতিকেই উৎসাহিত করে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *