
সিলেটে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ছাত্রলীগ কর্মী খুন হয়েছেন। পূর্ববিরোধের জের ধরে তাকে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৬-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত তুষার আহমদ চৌধুরী (২১) নগরীর রায়নগর এলাকার শাহজাহান আহমদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি মদন মোহন কলেজে পড়তেন এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নগরীর শাহী ঈদগাঁওয়ের দলদলি চা বাগান এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তুষার। এ সময় তার প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। উভয়পক্ষের মারামারির একপর্যায়ে তুষারকে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ আম্বরখানা বড়বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে জাবেদ আহমদ নামে একজনকে গ্রেফতার করে। তিনি শাহী ঈদগাঁহ এলাকার হাজারিবাগের ৪১নং বাসার সামছু মিয়ার ছেলে।
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বিকালে তুষারের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। লাশ বাড়িতে নিয়ে গেলে স্বজনদের আহাজারিতে আশপাশের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জাবেদকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। সম্ভবত এ বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল মাদক সেবন নিয়ে। মঙ্গলবার এর জের ধরেই তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়; যার একপর্যায়ে খুন হন তুষার।
