
পাকিস্তান সুপার লীগে (পিএসএল) নিজের প্রথম দুই ম্যাচে ৩টি করে উইকেট তুলে নেন রিশাদ হোসেন। টাইগার ক্রিকেটারের দুর্দান্ত বোলিং বড় ভূমিকা রাখে লাহোর কালান্দার্সের জয়ে। নিজের তৃতীয় ম্যাচেও ২ উইকেট তুলে নেন রিশাদ। তবে অন্যদিনের চেয়ে মঙ্গলবার একটু বেশিই খরুচে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মুলতান সুলতানস জয় তুলে নিয়েছে ৩৩ রানে।
পিএসএলে নিজেদের মাঠ মুলতান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিনই প্রথমবার খেলতে নামে মুলতান। নিজেদের প্রথম ৩ ম্যাচে হারা দলটি ঘরের মাঠেই পেয়েছে প্রথম জয়। লাহোরের হয়ে চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৫ রান দেন রিশাদ হোসেন। হজম করেন তিনটি চার ও দু’টি ছক্কা। ডট খেলাতে পারেন ৬ বল। শুধু রিশাদই নন, এদিন খরুচে বোলিং করেন লাহোরের প্রায় সবাই। সাত জনের মধ্যে পাঁচ জনই ওভারপ্রতি দশ রানের বেশি খরচ করেন। এই টাইগার লেগ স্পিনার ছাড়া আর কেউ একটির বেশি উইকেট নিতে পারেননি। আগে ব্যাটিংয়ে নামা মুলতান প্রথম ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে তুলে নেয় ৭৯ রান, যা কি না পিএসএলের এবারের আসরে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ। সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন রিশাদ, দেন ১০ রান। দ্বাদশ ওভারে ফের আক্রমণে আসেন এই ২২ বছর বয়সী ক্রিকেটার। খরচ করেন ১২ রান। নিজের শেষ ২ ওভারে ২ উইকেট তুলে নেন এই ডানহাতি স্পিনার। এই ২ ওভারে ২৩ রান দিলেও সাজঘরে ফেরান উসমান খান আর অ্যাস্টন টার্নারকে। লাহোর অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে উইকেট নেন একটি। আরেক পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফ ৩ ওভারেই ৫৪ রান দিয়ে কোনো উইকেটের দেখা পাননি। নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে মুলতানের পুঁজি দাঁড়ায় ২২৮ রান।
পিএসএলে এই মাঠে সর্বোচ্চ দলীয় রান এটিই। চলতি মৌসুমে প্রথমবার খেলতে নেমে ৪৪ বলে ৮৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ওপেনার ইয়াসির খান। জবাবে ৯ উইকেটে ১৯৫ রান করে থামে লাহোর। ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে এসে রিশাদ করেন ৪ বলে ২ রান। রিশাদদের পরের ম্যাচ আগামীকাল পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে।
