
বলিউড অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বরাবরই স্পষ্টবক্তা। রেখেঢেকে কথা বলা তার একদম পছন্দ নয়। যার জন্য প্রায়শই তিনি শিরোনামে আসেন। এবার ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপী-র রাজনীতি ছাড়ার ইচ্ছাকে সমর্থন জানিয়ে এবং রাজনীতিকে ‘কম বেতনের কাজ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন। হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি লোকসভা কেন্দ্রে রেকর্ড ভোট পেয়ে বিজয়ী হন কঙ্গনা। তিনি বিজেপির তারকা সাংসদ। সবই ভাল চলছিল। কিন্তু হঠাৎই রাজনীতি নিয়ে সুর বদল কঙ্গনা রানাওয়াতের। সংসদ হয়ে যে তিনি খুব একটা খুশি নন, সেই ইঙ্গিতই আবার পাওয়া গেল কঙ্গনার নতুন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। কঙ্গনা বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপির একটি সাক্ষাৎকার শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। যেখানে সুরেশ জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে তিনি অভিনয়ে ফিরতে চান। এই স্টোরিতেই কঙ্গনা লিখেছেন, রাজনীতি এমন একটা পেশা যার পথ সহজ নয়। বড্ড কঠিন। রাজনীতিতে তেমন টাকা পয়সা উপার্জনও নেই। উল্টে নানারকমের খরচ রয়েছে। আর শিল্পীরা যদি নিজেদের পেশায় সময় ব্যয় করে, তাহলে তাদের দক্ষতা ও কাজের উপর প্রশ্ন তোলা হয়। এখানেই শেষ করেননি কঙ্গনা। তার কথায়, রাজনীতিতে ভাল করে কাজ করার পাশাপাশি নিজেদের পেশাতেও মন দেওয়া উচিত।
কঙ্গনা আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে কোনও সৎ ও সফল মানুষ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাইবে না। তিনি বলেন, মানুষের উচিত রাজনীতিতে কর্মরত পেশাদারদের সম্পর্কে নিজেদের ধারণা পরিবর্তন করা। তার মতে, “আমাদের অফিস বা গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও নিজস্ব পেশায় কাজ করার অনুমতি দেওয়া উচিত।” কঙ্গনার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি এমার্জেন্সি, বক্স অফিসে মুখ থুবরে পড়েছিল। তিনি ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তারপর থেকেই কঙ্গনাকে সিনেমার পর্দায় সেভাবে দেখা যায়নি। এছাড়াও, আসন্ন ভৌতিক ড্রামা “ব্লেসড বি দ্য ইভিল”-এ তার অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হলিউডে পা রাখতে চলেছেন। কঙ্গনাকে একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারেও দেখা যাবে, যেখানে আর মাধবনও মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন।”কুইন ২” এবং “তনু ওয়েডস মনু ৩” – ও তালিকায় রয়েছে। তবে ছবিগুলি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু ঘোষণা করা হয়নি।
সূত্র: মিড ডে
