
মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে চা বিরতি দ্বিতীয় সেশনটি নিরাপদে পার করে দিয়েছিলেন মুমিনুল ও মুশফিক। তবে চা বিরতির পর ফিরেছেন মুমিনুল। তার বিদায়ে ভেঙেছে চতুর্থ উইকেটে ১০৭ রানের জমাট জুটি। ফেরার আগে ১টি চারের সাহায্যে ৬৩ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এটি ইনিংসে ম্যাকব্রাইনের চতুর্থ শিকার। মুমিনুলের বিদায়ে ক্রিজে মুশফিকের নতুন সঙ্গী হয়েছেন লিটন দাস। মুশফিক ১২৬ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত আছেন। ক্রিজে তার সঙ্গী লিটন দাস আছেন ২০ রানে। ৪ উইকেটে ২৩১ রানে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।
এদিকে আজ বাংলাদেশের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন লিটন দাস। ৫২ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ৯০ ইনিংসে ৩ হাজার রান হয়েছে তার। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ৭৬ ইনিংসে ৩ হাজার রান করেছেন তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক।
এর আগে চা বিরতি থেকে ফিরেই ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিকুর রহিম। নিজের ঐতিহাসিক শততম টেস্টের প্রথম ইনিংসেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৮তম হাফ সেঞ্চুরি। বিরতির পর মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১০৯ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
মুশফিক-মুমিনুলে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
আয়ারল্যান্ডের বোলারদের ক্যাচ মিসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিরপুর টেস্টে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম। দুবার জীবন পেয়ে মুমিনুল তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৪তম অর্ধশতক। অন্যপ্রান্তে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন শততম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকুর রহিম। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ব্যাটে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।
সিলেটের পর মিরপুরেও হাসছে মুমিনুলের ব্যাট। তবে আজ কিছুটা ভাগ্যের ছোঁয়াও ছিল তার। ব্যক্তিগত ২৩ রানে একবার জীবন পান। এরপর ৪৯ রানেও আরও একবার জীবন পান এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯২ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি।
ভাগ্যের ছোঁয়া ছিল মুশফিকের ওপরও। ব্যক্তিগত ২২ রানে উইকেটরক্ষকের হাত ফসকে জীবন পান তিনি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চতুর্থ উইকেটে মুমিনুলের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন মুশফিক। তাদের জুটির পঞ্চাশ রান আসে ১১৮ বলে।
৬০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৮২ রান। মুমিনুল ১২১ বলে ৫৯ রানে এবং মুশফিক ১০১ বলে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন।
