
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে সিলেট টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সফরকারীদের ২৮৬ রানের জবাবে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের পর সেঞ্চুরি পান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ও টপ অর্ডার ব্যাটার মুমিনুল হক অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি। বল হাতে আলো ছড়ান অভিষিক্ত স্পিনার হাসান মুরাদ, অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও পেসার নাহিদ রান। মোটকথা, স্পোর্টিং উইকেটে দুর্দান্ত একটি টেস্ট জয় উপহার দিলো বাংলাদেশ। জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে দ্বিতীয় টেস্টে ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ নেওয়ার পক্ষে মত দিলেও স্পোর্টিং উইকেটে খেলার দাবি জানিয়েছেন টাইগার দলপতি শান্ত।
ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি হবে। এখানকার উইকেট সাধারণত সিলেটের মতো স্পোর্টিং হয় না। বেশিরভাগ উইকেট স্পিনবান্ধব ও মন্থর হয়ে থাকে। আয়াল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট জেতার পর ‘হোম অফ গ্রাউন্ডে’ ব্যাটারদের স্পিন সামলানো কঠিন হবে কিনা এমন প্রশ্নে শান্ত বলেন, ‘মিরপুরে যেকোনো প্রতিপক্ষ, যেকোনো বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে অলওয়েজ চ্যালেঞ্জ থাকে। বাড়তি কোন চিন্তা করার কোন সুযোগ নেই। চ্যালেঞ্জ থাকবে, কিন্তু ওই চ্যালেঞ্জটা কিভাবে আমরা মোকাবিলা করি এটা গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচটা যেভাবে আমরা খেলেছি, আশা করবো এই কনফিডেন্সটা মিরপুরে কাজে দিবে।’
ঘরের মাঠে সিরিজ হলে স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা নেয় দেশগুলো। নিজেদের অনুকূল পরিবেশ অনুযায়ী উইকেট তৈরি করে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। যদিও নিজেদের উন্নতিতে ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ নেওয়ার পক্ষে মত দিলেও স্পোর্টিং উইকেটে খেলতে চান শান্ত। তিনি বলেন, ‘যদি সুযোগ থাকে, অবশ্যই স্পোর্টিং উইকেটে খেলাটা খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। দিন শেষে আপনার এটাও ভাবতে হবে যে এটা একটা ইন্টারন্যাশনাল টেস্ট ক্রিকেট। এখানে খেলা জিতাটাও ইম্পর্ট্যান্ট। জেতার জন্য যেটুক সুবিধা নেওয়া দরকার, সেটাও নিতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় স্পোর্টিং উইকেট থাকলে খুব ভালো।’
