
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে হওয়া এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পূর্ব শক্রতার জেরে তুচ্ছ ঘটনায় এ সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন- মজিবর হাওলাদার (৬০), মাসুম হাওলাদার (২৫), ইসরাফিল (৪৫), পান্না বেগম (৪০), রিয়াদ মাতুব্বর (১৯), মজি খালাসি (৫৫), বিউটি বেগম (৫০), রাবেয়া বেগম (৩৫), সামাদ মাতুব্বর (৪৮), রাকিবুল (১৮) ও মোসলেম মাতুব্বর (৪০)। বাকি আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কুমারখালী গ্রামে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে একটি গ্রপের নেতৃত্ব দেন কাউস মাতুব্বর ও নূর হোসেন মাতুব্বর এবং অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন মোকলেস মাতুব্বর ও মিন্টু মাতুব্বর।
শুক্রবার সকালে মোকলেস দলের সমর্থক জিন্নাত খালাসি তার পারিবারিক কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাট করেছিল। তখন কিছু মাটি নূর হোসেন দলের সমর্থক রমজান মাতুব্বরের জমিতে চলে যায়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়।
এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাতে আজিমনগর মোড়া বাজারে নূর হোসেন ও মোকলেসের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের মাঝেও হাতাহাতি হয়। এ সংবাদ গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন ঘোষণা দিয়ে সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় দলের কমপক্ষে ২০ জন সমর্থক আহত হয়।
ভাঙ্গা থানার ওসি মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর শুনে আমি নিজেই সেখানে যাই। সেখানকার পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।’
