ব্যাটম্যানদের ব্যর্থতায় প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৭ রানে হারল বাংলাদেশ

খেলা

বড় রানের তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তানজীদ তামীম আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শুরু করলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।এরপর তাওহীদ হৃদয়ের শম্ভুক গতির ইনিংস বিপদ বাড়ালেও অন্যপাশে আশা দেখাচ্ছিলেন লিটন দাস।তবে তিনি ফিরতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের প্রতিরোধ।শেষদিকে জাকের আলীর ঝড়ো ইনিংস শুধু হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ৭ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান তোলে। জবাবে ৪ বল বাকি থাকতে ১৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

বড় রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ ছিলেন ওপেনার পারভেজ ইমন, ফিরে যান ৪ রান করে।শুরু থেকে দারুণ কিছু শট খেলা তানজিদ তামিম ১৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন। ক্রিজে থিতু হলেও টি-টোয়েন্টি সুলভ ব্যাটিং করতে পারেননি তাওহীদ হ্রদয়। তবে অধিনায়ক লিটন দাসের ৩০ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে জেগেছিল আশা।

তবে শামীম হোসেন (৪), রিশাদ হোসেন (৪) করে পুরোপুরি ব্যর্থ হন। জাকের আলী ২১ বলে তিন ছক্কা ও এক চারে ৩৬ রান করে ফিরলে বড় হার সঙ্গী হয় দলের শেষ পর্যন্ত সবকটি উইকেট দিয়ে টাইগাররা সংগ্রহ করে ১৬৪ রান। হাসান আলি সংগ্রহ করেন ৫ উইকেট।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান তোলে পাকিস্তানে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এটাই সর্বোচ্চ রানের স্কোর স্বাগতিকদের। এই মাঠে এর চেয়ে বেশি রানের স্কোর আছে মাত্র একটিই। ২০২২ সালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২০৯ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড।

শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি পাকিস্তানের। ইনিংসের তৃতীয় বলেই মেহেদী রানের খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওপেনার সিয়াম আইয়ুবকে। দ্বিতীয় ওভারেই আবার আরেক ফখর জামানকে (১) দেন শরীফুল ইসলাম। ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর মোহাম্মদ হারিস ও অধিনায়ক সালমান আগার প্রতিরোধ। তৃতীয় উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। হারিসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তানজিদ সাকিব।

৫৩ রানে ৩ উইকেটে হারালেও পাকিস্তানি ব্যাটাররা সব সময় রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেছেন। তানজিম সাকিবের টানা তিন বলে ৬, ৪ ও ৪ মেরে ২৯ বলে ফিফটি করেন সালমান। আউট হওয়ার আগে ৩৪ বলে ৫৬। কাছাকাছি গিয়েও ফিফটি পাননি হাসান নওয়াজ। 

২টি চার ও ৪টি ছয়ে ৪৪ করে রিশাদ হোসেনের শিকার হয়েছেন। শেষ দিকে শাদাব খান ২৫ বলে ৪৮ ও ফাহিম আশরাফ ৬ বলে ১১ রানে ২০০ পেরোয় পাকিস্তান।

বল হাতে সবচেয়ে সফল শরীফুল ইসলাম। ৩২ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান, হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেন ও শামীম পাটোয়ারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *