
বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে আলোচনা দ্রুত শেষ করতে চায় যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী দল ও জোটগুলো। ইতিবাচক বা নেতিবাচক-যাই হোক চূড়ান্ত নিতে চাইছেন নেতারা। এনিয়ে বুধবার বিকালে বিএনপি ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেয়া ২৯টি রাজনৈতিক দলের নেতারা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দলগুলো এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানিয়েছে, বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কথা বলেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। বিএনপি মহাসচিবকে বৈঠকের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। বলেন, তারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে বসে এবিষয়টি সুরাহা করতে চাইছেন।
মঙ্গলবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি নেতারা। আলোচনায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সন্তুষ্ট হতে পারেননি। আলোচনা অসমাপ্ত রেখেই বৈঠক শেষ হয়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আলোচনা অসমাপ্ত রেখে বের হয়ে আসেন তিনি।
বৈঠকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির পক্ষে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৈঠকের বিষয়ে সাইফুল হক মানবজমিনকে বলেন, আলোচনা হয়েছে৷ আলোচনা অব্যাহত আছে৷ কাল বা পরশু আবার আমরা বসবো।
সাইফুল হক ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন করতে আগ্রহী। সেটি সম্ভব না হলে তিনি ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচন করতে চান। তবে দুটি আসনেই বিএনপি গত ৩রা নভেম্বর প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ঢাকা-৮ আসনে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং ঢাকা-১২ আসনে ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরবকে প্রার্থী করা হচ্ছে। বিষয়গুলো মঙ্গলবার আলোচনায় উঠেছিল। এনিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এ বিষয়ে অবহিত। কিন্তু মনোনয়নের এ সিদ্ধান্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। পাশাপাশি বিএনপি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যারা মনোনয়ন পাবেন না তাদেরকে সংসদ উচ্চকক্ষে কিংবা অন্যভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
আকবর খান মানবজমিনকে বলেন, বিএনপি আমাদের কাছে আসনের বিষয়ে জানতে চেয়েছে।আমরা ঢাকা-৮ এবং ঢাকা-১২ আসনের কথা বলেছি। বলেছি, এছাড়া আমাদের অন্য কোনো গতি নেই। তারা ভিন্ন কথা বলেছেন। আমরা বলেছি, এটা আপনাদের বিষয়।
