জামায়াত যা করতে পারে না, তা এনসিপিকে দিয়ে করায়: রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশ রাজনীতি

জামায়াত যা করতে পারেনা, সেটা এনসিপিকে দিয়ে করায় বলে মন্তব্য করেছেন,গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

এনসিপির মধ্যে জামায়াত-শিবিরের যে গুপ্ত বাহিনী রয়েছে, তারা নাহিদ ইসলামদের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপি ও জামায়াতের মধ্যে বোঝাপড়া আছে, এটি গোপন রাখতে চায় এনসিপি। এই সম্পর্ক আড়াল করতেই এনসিপি মাঝে মাঝে জামায়াত বিরোধী অবস্থান নেয়। এটি রাজনৈতিক কৌশলমাত্র।

জামায়াত শিবিরের নিয়োগ পলিসির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।

গণভোটের ব্যাপারে তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে যখন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়, তখন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের পক্ষে মতামত দেন। সে সময় জামায়াত ছাড়া সব দলই একমত হয়েছিল। এমনকি এনসিপিও প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু পরদিনই এনসিপি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লিখেছিলেন, ‘নতুন করে আরেকটি মওদুদীবাদি প্রক্সি দলের দরকার নেই।’ তখনই বোঝা গিয়েছিল, এনসিপি বুঝে না বুঝে সেই পথেই হাঁটছে। এতে তাদের নিজস্ব রাজনীতি তৈরি হচ্ছে না।

সরকারের সমালোচনা করে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ১৪ মাসেও সরকার নিজের ফিটনেস তৈরি করতে পারেনি। নভেম্বর গণভোটের প্রসঙ্গ এনে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এতে কেবল আওয়ামী লীগই উপকৃত হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, ঐকমত্য কমিশন ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ দিয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে। তাহলে ৯ মাস রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় করে লাভ কী হলো? আগে থেকেই ৮৪টি বিষয়ে গণভোট নেওয়া যেত। অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশন জামায়াত ও এনসিপি বাদে সব দলের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি ১/১১ অনিবার্য করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *