
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোতে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়ে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় টাইফুন ‘ডলফিন’। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ওকিনাওয়ার মূল বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং বাতিল করা হয়েছে অন্তত ৫০০টি ফ্লাইট।
জাপান আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, শুক্রবার টাইফুনটির অবস্থান ছিল ওকিনাওয়ার ঠিক উত্তরে। ওই সময় এর কেন্দ্রস্থলে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৪৩ কিলোমিটার (৮৯ মাইল)। জলোচ্ছ্বাস ও প্রচণ্ড ঝড়ের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতর থাকার আকুল আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সাথে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
.
এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত তিনজনের সামান্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ওকিনাওয়া অঞ্চলে রোববার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়াবিদরা।
.
ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব পড়েছে কিউশু দ্বীপের কুমামোতো এলাকাতেও। এলাকাটি মাত্র গত সপ্তাহে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল, যার ফলে প্রায় ৬,৭০০ জন মানুষ এখনো ত্রাণশিবিরে অবস্থান করছেন। টাইফুনের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিশ্বখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘টয়োটা’ তাদের ৯টি কারখানার উৎপাদন স্থগিত করেছে।
আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সপ্তাহান্তে টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়ে চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং আগামী সোমবার সকালে চীনে আঘাত হানতে পারে।
