
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস সোমবার (২১ এপ্রিল) মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
সম্প্রতি টানা পাঁচ সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন পোপ ফ্রান্সিস। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ‘ডাবল নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ‘অলৌকিকভাবে’ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়েন তিনি। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার এক মাসের মাথায় মারা গেলেন এই ধর্মগুরু।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) ভ্যাটিকানের প্রকাশ করা ডেথ সার্টিফিকেটের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মূলত স্ট্রোক করেই মারা গেছেন পোপ।
স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান পোপ ফ্রান্সিস। তারপর ‘চিকিৎসাতীত হৃদরোগে’ আক্রান্ত হয়ে চলে যান না পরপারে।
পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ১১টা বেজে ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিকানের সান্তা মারিয়ায় নিজ অ্যাপার্টমেন্টে মারা যান। ডেথ সার্টিফিকেট মতে, তিনি ‘সেরিব্রাল স্ট্রোক, কমা ও চিকিৎসাতীত হৃদরোগে’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তির আগে থেকেই শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন পোপ। এরপর হাসপাতালে থাকাকালীন ডাবল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি।
পাশাপাশি তিনি টাইপ টু ডায়াবেটিস, আর্টেরিয়াল হাইপারটেনশন ও ব্রঙ্কাইটিসেও আক্রান্ত ছিলেন।
পোপ ফ্রান্সিসের ডেথ সার্টিফিকেটে সাক্ষর করেছেন ভ্যাটিকান সিটি স্টেটের স্বাস্থ্যবিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আন্দ্রেয়া আর্কঅ্যাঞ্জেলি।
