
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। জয়ের নায়ক ছিলেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। একটি গোল করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে অ্যাসিস্টও করেন তিনি। তবে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হয়ে ওঠে তার পেনাল্টি মিস, যা নিয়ে মন্তব্য করেছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
হালান্ডের মতে, শট নেওয়ার আগে অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় এমবাপ্পের মনোযোগে প্রভাব পড়েছিল। তাই পেনাল্টি মিসকে তিনি স্বাভাবিক বলেই মনে করেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। কিন্তু মরক্কোর খেলোয়াড়দের সময়ক্ষেপণের কারণে বলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এমবাপ্পেকে। প্রায় ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড অপেক্ষার পর নেওয়া তার শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে হালান্ড লেখেন, ‘একটি পেনাল্টি নেওয়ার জন্য কোনো খেলোয়াড়কে প্রায় পাঁচ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা সত্যিই অনেক বেশি।’
নিজেও নিয়মিত পেনাল্টি নেওয়া একজন ফুটবলার হিসেবে হালান্ড মনে করেন, এত দীর্ঘ বিরতি একজন খেলোয়াড়ের স্বাভাবিক ছন্দ ও মনোযোগ নষ্ট করে দিতে পারে। তার মতে, এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসের পেছনে এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের ৬০তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। মাত্র ছয় মিনিট পর উসমান দেম্বেলের গোলে অ্যাসিস্ট করে দলের জয় আরও নিশ্চিত করেন তিনি।
এই জয়ে ২-০ ব্যবধানে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ফ্রান্স।
মরক্কোর বিপক্ষে গোল করে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮, যা তাকে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপে মাত্র ২০ ম্যাচে ২০ গোলের অনন্য মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন ফরাসি অধিনায়ক।
