
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের অপরাধীদের বিচারের বিষয়টি কেবল আইনি প্রক্রিয়ার অংশ, এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। বুধবার (৫ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে বিএসবিআর আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় সাংবাদিকদের প্রত্যুত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিচারের আওতায় আনতে হবে আওয়ামী লীগের অপরাধীদের
আমীর খসরু বলেন, “শুধু শেখ হাসিনা নয়, আওয়ামী লীগের বাকী অপরাধীদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিচারিক বিষয় আইনি প্রক্রিয়া। এর সাথে সরকার পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই।”
তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগের উপর আস্থা রাখলে নির্বাচন নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করা কাম্য নয়। বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতি আস্থা রাখবেন।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা
নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে আমীর খসরু বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের সাথে নানা প্রস্তাব জুড়ে দেওয়া হলে তা ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মতো দেখায়।” তিনি বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে বিচার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক প্রস্তাবকে যুক্ত করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরের আহ্বান
আমীর খসরু আরও বলেন, বর্তমান সরকার দ্রুত নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বলে মানুষ এটাই প্রত্যাশা করে। তিনি বলেন, “এই প্রত্যাশা পূরণ করা সরকারের দায়িত্ব। দেশের মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতার মাঝে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করে।”
নির্বাচনের প্রতি আস্থা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে
বিএনপির এই নেতা আরও আশা প্রকাশ করেন যে, নির্বাচন হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং সবার জন্য গ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, “নির্বাচনের ফলাফল মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন হতে হবে। এতে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না।”
এই বিবৃতি আসায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে আনার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে আলোচনা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
