গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন

‘লিটন মিয়া লাকু, গাইবান্ধা ॥ ‘গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন রোববার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আবদুল মতিন সম্পাদিত ‘গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ তৃতীয় সংস্করণ এই গ্রন্থটি প্রকাশ করে গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজিত এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, গ্রন্থের লেখক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন ও পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ শামস-উল-আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাফিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চন্দ্র মোদক, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কেএম রেজাউল হক এবং গ্রন্থটির লেখকদের মধ্যে আবু জাফর সাবু, জহুরুল কাইয়ুম, অমিতাভ দাশ হিমুন ও দেবাশীষ দাশ দেবু।
৫১২ পৃষ্ঠার ‘গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের লেখক তালিকায় রয়েছেন আবু জাফর সাবু, মো. আবু সালেক বুলবুল, আজিজুল ইসলাম খন্দকার, গোবিন্দলাল দাস, মাজহারউল মান্নান, একেএম শফিকুর রহমান, দেবাশীষ দাশ দেবু, শাহাদত হোসেন লাকু, মজিদ মুকুল, গৌতম চন্দ্র মোদক, জহুরুল কাইয়ুম, শচীন্দ্র কুমার চাকী, সমরেন্দু ভট্টাচার্য, সেকেন্দার আজম আনাম, শাহাবুল শাহীন তোতা, অমিতাভ দাশ হিমুন, খাজা এমএ কাইয়ুম, সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক আলম দয়াল, মো. আলমগীর কবির ও মো. সাদেকুর রহমান। এই গ্রন্থটির তৃতীয় সংস্করণে সম্পাদনা সহযোগী ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবির, মো. সাদিকুর রহমান এবং জহুরুল কাইয়ুম। গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ড. ময়নুল ইসলাম পল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ‘গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুর রাজ্জাকের সম্পাদনায় এবং এর দ্বিতীয় সংস্করটি প্রকাশিত হয় ২০০২ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর এবং তৃতীয় সংস্করণটি সম্পাদনা করেন বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন