বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নির্বাচনে সদস্য পদেও কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের আধিপত্য। ১৫টির মধ্যে ৯টিতেই বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা। শেখ আসলামের নেতৃত্বাধীন সমন্বয় পরিষদ পেয়েছে ৬টি সদস্য পদ।
সম্মিলিত পরিষদের বিজয়ী সদস্যরা হলেন- জাকির হোসেন চৌধুরী (৮৭ ভোট), বিজন বড়ুয়া (৮৫), নুরুল ইসলাম নুরু (৮৪), মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম (৮৪), সত্যজিৎ দাশ রুপু (৭৬), ইলিয়াস হোসেন (৭৫), ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ (৭৪), মাহফুজা আক্তার কিরণ (৭০) এবং হারুনুর রশিদ (৭০)। সম্মিলিত পরিষদ থেকে যে ৬ জন সদস্য পদে হেরেছেন তারা হলেন- শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর, অমিত খান শুভ্র, ইকবাল হোসেন, আসাদুজ্জামান মিঠু ও সৈয়দ রিয়াজুল করিম।
সমন্বয় পরিষদ থেকে সদস্য পদে বিজয়ী ৬ জন হলেন- আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু (৮৬ ভোট), আরিফ হোসেন মুন (৮৫), টিপু সুলতান (৮১), আমের খান (৬৯), সাইফুল ইসলাম (৬৯) ও মহিদুর রহমান মিরাজ (৬৮)।

বাফুফে নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন টানা চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েছেন। বহুল আলোচিত এ নির্বাচনে ১৩৯ ভোটের মধ্যে ৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কিংবদন্তি এই স্ট্রাইকার। সভাপতি পদে কাজী সালাহউদ্দিনের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদল রায় পেয়েছেন ৪০ ভোট আর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট।

সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক তারকা ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলাম পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

আর সহ-সভাপতির চার পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আটজন প্রার্থী।

এই আটজন প্রার্থীর মধ্যে ইমরুল হাসান পেয়েছেন (৯১), কাজী নাবিল আহমেদ (৮৯) এবং ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক। তবে সাবেক দুই সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি ও তাবিথ আউয়াল সমান ৬৫ ভোট পেয়েছেন। আগামী ৩১শে অক্টোবর এই পদে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন।