আরিফুর রহমান মাদারীপুরঃ
মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়াজ উদ্দিন খানের জানাজা নামাজ আজ বাদ জুমা মাদারীপুর পৌরসভা ঈদগা মাঠে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে মরহুমের দুই পুত্র, মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, পুলিশ সুপার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জন প্রতিনিধি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী,   মৈত্রী মিডিয়া সেন্টার কমিটি ও সাংবাদিক   সহ  বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ এতে অংশ নেয়।
জানাজা শেষে মরহুমের প্রতি ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। পরে মুক্তিযোদ্ধা মিয়াজ উদ্দিন খানের লাশ তার গ্রামের বাড়ি কালকিনি উপজেলার রমজানপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাদ আসর তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা মিয়াজ উদ্দিন খান    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাখাওয়াাত মুনের বাবা। মিয়াজ উদ্দিন খান তিনি মাদারীপুরে দুইবারের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। এছাড়া একবার পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাসিম, সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা, সাধারন সম্পাদক, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ও মৈত্রী মিডিয়া সেন্টার সাংবাদিক বৃন্দ, রাজনৈতিক ও সামাজিক  নেতাকর্মীরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
পরে তার লাশ মাদারীপুর জেলা কালকিনির সাহেবরামপুরে ২য় জানাজার নামাজের শেষে।নিজ এলাকায় ডিক্রীরচর সিনিয়র মাদ্রাসা ও  মরহুম আলহাজ আব্দুল হামিদ খাঁন সাহেবের মাদ্রাসাল সংলগ্ন মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা মিয়াজ উদ্দিন খান বৃহস্পতিবার  রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যু  বরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী দুই ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।