চট্টগ্রাম বন্দরে আটক বহুল আলোচিত ড্রামে করে আমদানি করা ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের কোকেন চোরাচালান মামলার অভিযোগপত্র চট্টগ্রাম সিএমএম আদালতে দাখিল করেছে র‌্যাব।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে সোমবার সিএমএম আদালতে ১০ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়।

আসামিরা হলেন- আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিকানাধীন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা প্রকাশ সোহেল (৩৯), খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ (৪৯), আবাসন ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা কামাল (৪২), সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. মেহেদী আলম (৩১), গার্মেন্টস পণ্য রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী মো. আতিকুর রহমান (২৯), কসকো শিপিং লাইনের ম্যানেজার এ কে এম আজাদ (৪৮), সিএন্ডএফ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম (৩২), খানজাহান আলী গ্রুপের পরিচালক মোস্তাক আহাম্মদ খান (৪৫), লন্ডনে অবস্থানরত ফজলুর রহমান (৩৫) ও মো. বকুল মিয়া (৩১)।

র‌্যাব জানায়, ২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে এন সি টি ইয়ার্ডে অবৈধ উপায়ে এলসি ব্যতীত আমদানি করা সূর্যমুখী তেলের আড়ালে কোকেন ভর্তি একটি কনটেইনার জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ, বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কাস্টমস্ ইন্টেলিজেন্স, নৌ বাহিনী, এসবি, ডিবি, সিএমপিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার উপস্থিতিতে সীলগালা ভেঙে কন্টেইনারের ভেতরে সর্বমোট ১০৭ টি নীল রং এর প্লাস্টিক এর ড্রাম উদ্ধার করা হয়।

ল্যাবে ১০৭ টি ড্রামে থাকা সূর্যমুখী তেলের নমুনা পরীক্ষা করে ২ টি ড্রামে মোট ৩৭০ লিটার তরল কোকেন (মাদক) শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে এ সংক্রান্তে বন্দর থানায়  ২৭ জুন ২০১৫ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ হয়ে মামলার তদন্ত ভার এক পর্যায়ে আসে র‌্যাব ৭ এর হাতে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে র‌্যাব ১০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করে।