কুয়েতে শ্রমিকদের অভিযোগ শুনতে লকডাউনে থাকা এলাকায় নতুন অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়।
শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল আকিলের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলোতে বেশ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদটি পাবলিশ করা হয়েছে।
আরব টাইমসে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ফারওয়ানিয়া ও জিলিব আল সুয়েখের লকডাউন করা এলাকায় লেবার অফিস খুলেছে জনশক্তি মন্ত্রণালয়।
আকামা সমস্যা, বেতন দেরিতে দেয়া বা বেতন না দেয়া, সুপারভাইজারের ঘুষ চাওয়া ইত্যাদি বিষয়ে সরাসরি যে কোনো অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করার অঙ্গীকারও করা হয়েছে।
শ্রম অধিকার বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় কোম্পানির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের বিরোধসংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর সম্পূর্ণ লকডাউন অঞ্চলে জনশক্তিবিষয়ক জেনারেল অথরিটির অফিস (লেবার অফিস) বরাদ্দ করেছে সামাজকল্যাণমন্ত্রী ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল আকিল।
মন্ত্রী বলেন, উপপ্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আনাস আল সালেহের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য একটি অফিস ও তদন্তের জন্য প্রশাসনের একজন অফিসারকে জিলিব আল শুয়েখ এবং ফারওয়ানিয়া এলাকায় প্রেরণ করা হবে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা আকামা সমস্যা, বেতন দেরিতে দেয়া বা না দেয়া, সুপারভাইজারের ঘুষ চাওয়া, আকামার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেয়া ইত্যাদি বিষয়ে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করে সরাসরি যে কোনো অভিযোগ জানাতে পারবেন লেবার অফিসে।