khulna-uni

খুলনা : ফেসবুকে আইএসের কর্মকা-কে পছন্দ করার অভিযোগে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্র মীর্জা রবিউল হাসানসহ আটক হওয়া সন্দেহভাজন দুই তরুণের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে মীর্জা রবিউল হাসানকে আটক করা হয়। এর আগে মো. আরজ আলী (২৫) নামে এক তরুণকে এলোপাতাড়ি ঘুরতে দেখে তাকেও পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে।

কুয়েটের জনসংযোগ ও তথ্য শাখার সেকশন অফিসার মনোজ কুমার মজুমদার জানান, কুয়েট বন্ধ থাকাকালে তার সহপাঠীরা বিভিন্ন সময়ে দেখেছে যে, রবিউল হাসান ফেসবুকে আইএসের বিভিন্ন কর্মকা-কে লাইক দিয়েছে, কমেন্টসও করেছে। কিন্তু কুয়েট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার সে কুয়েটে এলে রাত ১ টার দিকে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

সে পাবনা জেলার দেয়াড়া উপজেলার আমিনপুর এলাকার মীর্জা আব্দুর রহমানের ছেলে।

অপরদিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার দায়ে আটক আরজ আলী কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ধলগ্রাম গ্রামের মৃত মো. আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুয়েট ক্যাম্পাসে চলাফেরা করার সময় সন্দেহ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে সম্মান শেষ বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছেন বলে জানান আটক আরজ আলী। তিনি ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলার সহ-সভাপতি বলে নিজের পরিচয় দিয়েছেন।